রবিবার২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ১৫ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি১২ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া কোন নির্বাচন হবে না: ফখরুল

সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিভাগীয় সমাবেশে বক্ত‌্ব‌্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব -ফখরুল। ছবি- সংগৃহীত।

জেলা প্রতিনিধি–

বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া কোন নির্বাচন হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন- যারা এর বিরোধিতা করবে তারা গণশত্রু বলে ধিকৃত হবে। তাদেরকে গণশত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এ সরকারকে বিদায় করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটাই আমাদের এখন সংকট উত্তরণের একমাত্র পথ। “

;আজ শনিবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, তারা আবার নতুন করে খেলা শুরু করেছে, কোন খেলা মামলা মামলা খেলা। কোন মামলা? গায়েবি মামলা। কোন কিছু ঘটেনি অথচ বলে দিল ওখানে নাশকতা ঘটেছে। সেই নাশকতার মামলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের আসামি করা হয় তারা জানেই না ল কোন কিছু।”

;এভাবে গত ১৪টি বছর ধরে তারা এই দেশের মানুষের ওপরে অত্যাচার নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়ে যাচ্ছে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ফ্যাসিস্ট দানবীয় সরকারকে পরাজিত করতে হবে। যারা আমাদের সমস্ত স্বপ্নগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে, অর্জনগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে তাদেরকে পরাজিত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।”

;ফখরুল বলেন- আমরা পরিষ্কার করে বলেছি অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে হবে সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। ঝাড়ি ঝুড়ি খাটবে না। পুলিশ দিয়ে আমলা দিয়ে রাতের অন্ধকারে সবকিছু পাল্টিয়ে দেবা; ইভিএম করবা ওটা হবে না…। জনগণ তার ভোট এবার দেখে নেবে। করায় গন্ডায় বুঝে নেবে। সেই ভোট হতে হবে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে।”

;সকল রাজনৈতিক দল ও মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন এখন আর বসে থাকার সময় নেই। সমস্ত রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান আমরা সকলে এক হয়ে যেভাবে ৭১ সালে লড়াই করেছিলাম সংগ্রাম করেছিলাম সেইভাবে এই ভয়াবহ দানব সরকারকে পরাজিত করে জনগণের একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করব। জনগণের রাষ্ট্র নির্মাণ করব।”

;গণ সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ফজলুর রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ইলিয়াসপত্নী তাহসিনা সিনা রুশদী লুনা, উপদেষ্টা ডা. এনামুল হক, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মুয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হাসান জীবন, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, ছাত্রদলের সভাপতি রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণসহ বিভাগের জেলাগুলোর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।,