রবিবার১৪ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ৫ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি১লা বৈশাখ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যবসার আড়ালে মাদক ব‌্যাবসা করে

সেই ৫ বাড়ির মালিক নুরুলের ৩ ব্যাংক হিসাব জব্দ

এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যবসার আড়ালে মাদক কারবার করে রাজধানীতে পাঁচটি বাড়িসহ বিপুল সম্পদের মালিক বনে যাওয়া নুরুল ইসলামের তিনটি ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত”

;।আজ (সোমবার) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের (সিআইডি) এক আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।সিআইডির পরিদর্শক মনিরুজ্জামান দুটি বেসরকারি ব্যাংকের শ্যামলী শাখায় থাকা নুরুল ইসলাম ও প্রতিষ্ঠানের নামে খোলা তিন ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আবেদন করেন। ”

;সংশ্লিষ্ট আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।অভিযোগ থেকে জানা যায়,র‌্যাব ২০২১ সালে মাদক ও জাল টাকার মামলায় নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরে র্যাব তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অনুসন্ধানের জন্য সিআইডিকে চিঠি দেয়। ”

;সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ মাস অনুসন্ধান করে সিআইডি ঢাকার মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় নুরুলের পাঁচটি বাড়িসহ ১৩ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য পায়।অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, ২০০৯ সালের আয়কর বিবরণীতে তার কোনো স্থাবর সম্পত্তি ছিল না। ”

;অস্থাবর সম্পত্তি ছিল সাড়ে আট লাখ টাকার। ১১ বছর পর তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি মিলে ৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫ হাজার ৬৩১ টাকা দেখানো হয়েছে। আর ২০২১ সালে তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানার সম্পদ দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৫১ লাখ ৩৬ হাজার ৫১ টাকা।”

;২০০১ সালে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ শুরু করলেও ২০০৯ সালে তা ছেড়ে দেন নুরুল ইসলাম। এরপর থেকে ১৪ বছরে মোহাম্মদপুর ও আদাবরে পাঁচটি বাড়ির মালিক হয়েছেন তিনি “

; নুরুল মূলত ইয়াবা ব্যবসার টাকা বৈধ করতেই আমদানি-রপ্তানি ব্যবসার কাগুজে প্রতিষ্ঠান খোলেন। নুরুল ও তার স্ত্রীর নামে মোট ১১টি ব্যাংক হিসাব থাকার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। ওই সব হিসাবে গত এক যুগে ১৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। তবে নুরুল ইসলাম ইতোমধ্যে মাদক ও জাল টাকার মামলায়  জামিন পেয়েছেন।.