বুধবার২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নারী ইন্সপেক্টরকে ১৮ দিন ধর্ষণ,ক্ষমা চাইতে গিয়ে আবারও ধর্ষণ করেন এসপি

পিবিআইয়ে কর্মরত পুলিশ সুপার (এসপি) মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে তারই সহকর্মী এক নারী ইন্সপেক্টর বিয়ের প্রলোভনে ফুসলিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ’ এনে মামলা দায়ের করেছেন। যে ঘটনা বিভিন্ন মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। যা নিয়ে নানান গুঞ্জন চলছে এবং মানুষের মনে বিভিন্ন প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে “

;অভিযোগ করা হচ্ছে- দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের ওই নারী কর্মকর্তাকে ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৮ দিন ধর্ষণ করেছেন এসপি মোক্তার। এমন পরিস্থিতিতে ওই নারী কর্মকর্তার দায়ের করা অভিযোগের বর্ণনা তুলে ধরা হলো।আদালতের দাখিল করা আবেদনে ওই নারী পুলিশ কর্মকর্তা এসপি’র বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উল্লেখ করেন-

দারপুরে ক্যাম্পে
;ওই নারী ইন্সপেক্টরের অভিযোগ অনুযায়ী- তিনি দায়িত্বরত অবস্থায় সুদানের দারপুর ক্যাম্পে ভিন্ন তারিখে ৩ দিন ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা বলেছেন। তার বর্ণনা অনুযায়ী- সুদানের নর্থ দারপুরে এসসিসি-৫, সুপার ক্যাম্পে তার বাসায় ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর আনুমানিক দুপুর ৩টায় এবং এর দুই দিনের মাথায় ২২ ডিসেম্বর দুপুর ১টায় তাকে ধর্ষণের ঘটনা। এর কিছুদিন পর ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি মৌখিকভাবে বিয়ে করে পরবর্তীতে নিকাহ রেজিস্ট্রি করার প্রলোভন দিয়ে আবারও ধর্ষণ করা হয়।”

;সেদিন ক্যাম্পে যে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছিলএক পর্যায়ে ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর শুক্রবার দুপুরে মধ্যাহ্নভোজ সেরে আসামি বাদিনীর বাসা হতে বেরিয়ে গেলে বাদিনী বিশ্রাম নিতে থাকেন। এর ১ ঘণ্টা পর আসামি বাদিনীর দরজা নক করলে ঘুমের ঘোরে বাদিনী দরজা খুললে আসামি বাদিনীর বাসায় প্রবেশ করে সোফায় বসে বাদিনীকে বাদিনীর ব্যবহৃত গাড়ির চাবিটি দিতে বলেন।”

;ক্ষমা চাইতে গিয়ে আবারও ধর্ষণ এরপর এই ঘটনা কাউকে না জানাতে বাদিনীকে ভয়ভীতি দেখান ওই এসপি। পরবর্তীতে বাদিনীর সাথে দেখা করে আসামি বাদিনীর কাছে ক্ষমা চাইতে বারবার অনুরোধ জানিয়ে ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বর বাদিনীর বাসায় গিয়ে আগের ঘটনার জন্য বাদিনীর কাছে ক্ষমা চান।”

;পরক্ষণেই আসামি আগের মতো আচরণ করে ওইদিনই দুপুর ১টায় বাদিনীর বাসায় বাদিনীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এই ঘটনার পর বাদিনী আসামিকে আর বাদিনীর বাসায় ঢুকতে দিতেন না। কিন্তু আসামি সবসময় বাদিনীর বাসার দরজা উচ্চশব্দে ধাক্কাধাক্কি করতেন এবং টেলিফোন করে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বাদিনীর সাথে দেখা করতে চাইতেন।’