রবিবার২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ১৫ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি১২ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবে আসামি হেফাজতের কেউ নাই! গ্রেপ্তার বিএনপি-ছাত্রদল নেতারা

বাংলা সংবাদ২৪ সংবাদদাতা–  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের হরতালের দিন চালানো তাণ্ডবের ঘটনায় পুলিশ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আজ বুধবার পর্যন্ত জেলায় ১১টি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার মানুষকে। তবে এর মধ্যে হেফাজতে ইসলামের দায়িত্বশীল কোনো নেতা বা কর্মীর নাম নেই “

’তবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিএনপি ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকে।মামলায় সব আসামিকেই অজ্ঞাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।বুধবার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাণ্ডবের ঘটনায় ২২ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, হেফাজতকর্মীদের তাণ্ডবের ঘটনায় গত ২৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সদর মডেল থানায় আটটি আর আশুগঞ্জ থানায় দু’টি, সরাইল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ছয় মামলায় পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করেছে। বাকি পাঁচ মামলা ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে দায়ের করা হয়েছে।

”পুলিশ বাদীর মামলাগুলোর আসামি সাড়ে ১২ হাজার, আর বাকি মামলাগুলোর আসামি আরো প্রায় দেড় হাজার।সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম জানান, গত ২৭ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত সদর মডেল থানায় আটটি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ বাদীর মামলা পাঁচটি। আর বাকি তিনটির মধ্যে একটি দায়ের করেছে ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আরেকটি করা হয়েছে আনসার ও ভিডিপি কর্তৃপেক্ষর পক্ষ থেকে, অপরটি দায়ের করা হয়েছে জেলা রেজিস্ট্রারের পক্ষ থেকে।তিনি জানান, তাণ্ডবের ঘটনায় বুধবার বিকাল পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

’সর্বশেষ ছাত্রদল নেতা সাইদ হাসান সানীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ পর্যন্ত মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে সাড়ে ১২ হাজার মানুষকে।আশুগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদ জানান, আশুগঞ্জ থানার দু’টি মামলার মধ্যে একটি পুলিশ বাদী আর আরেকটি আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা কর্তৃপক্ষ দায়ের করেছে “

”আজ বুধবার বিকাল পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায় কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান খা ওরফে মিজান মেম্বারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। দু’টি মামলায় আসামি এক হাজারের বেশি।সরাইলে দায়ের হওয়া পুলিশের মামলায় পাঁচ থেকে সাত শজনকে আসামি করা হয়েছে বলেও জানান সরাইল থানার ওসি নাজমুল হোসেন।তিনি জানান, অরুয়াইল ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

””ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে। কেউ অপরাধ করে ছাড় পাবে না।”