রবিবার২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ১৫ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি১২ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ছাত্রীনিবাসে বহিরাগত পুরুষের বসবাস!

আব্দুল্লাহ আল মানছুর(কুমিল্লা):- কুমিল্লা আলেখারচরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছাত্রীনিবাসে বহিরাগত বসবাস করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত দুই বছর ধরে কুমিল্লা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণার্থী ছাত্রী নিবাসে যুব উন্নয়ন কুমিল্লা জেলা অফিসের অফিস সহায়ক আব্দুল জব্বার, তাহার স্ত্রীকে নিয়ে বসাবাস করে আসছে।

শুধু তাই নয়-আব্দুল জব্বারের বিবাহিত মেয়ে ও মেয়ের স্বামী সাইফুল ও মসজিদের ইমাম সোলাইমান তাহার পরিবার পরিজন নিয়ে প্রশিক্ষণার্থী ছাত্রীনিবাসে বসবাস করে আসছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুমিল্লা যুব উন্নয়নে আসা প্রশিক্ষণার্থী কয়েকজন ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন-ছেলে মেয়েদের জন্য আলাদা আলাদা বহুতল ভবন রয়েছে, কেন মেয়েদের ছাত্রী নিবাসে সাইফুল(৩৫) নামের ব্যক্তি তাহার  স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করবে ।

শুধু সাইফুল কেন মসজিদের ইমাম সোলাইমান তাহার স্ত্রী, যুবপ্রশিক্ষন কেন্দ্র কুমিল্লার অফিস সহায়ক আব্দুল জব্বার তাহার পরিবারের সবাইকে নিয়ে ছাত্রীনিবাসে র্দীঘদিন ধরে বসবাস করে আসছে। ছাত্রীরা জিম্মি হওয়ার মত, পরাধীন হয়ে ছাত্রীনিবাসে থেকে আসছে। কুমিল্লা আলেখারচর যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ছাত্রীনিবাসে বহিরাগত ও অফিস স্টাফদের পরিবার থাকার বিষয়ে অভিযোগ পেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ছাত্রী নিবাসের ভয়াবহ চিত্র।

নিয়মানুযায়ী ছাত্রীনিবাসে কোন পুরুষ লোক থাকার বিধান না থাকলেও যুব উন্নয়ন কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের প্রশিক্ষণার্থী ছাত্রীদের ভবনে থাকছেন বহিরাগত সাইফুল, মসজিদের ইমামসহ স্ত্রী ও অফিসের ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী আব্দুল জব্বার তাহার পরিবার পরিজন নিয়ে ছাত্রীনিবাসে বসবাস করে আসছে।

ছাত্রীনিবাসের কেয়ার টেকার নূরের সাথে কথা বললে তিনি বলেন-আমাদের উপপরিচালক প্রজেষ কুমার মহোদয় ভারত ভ্রমনে ২৫ দিনের ছুটিতে আছেন, তবে ছাত্রী নিবাসে কোন অনুমোদন ছাড়াই ৩/৪জন পুরুষ লোক তাহাদের পরিবার পরিজন নিয়ে থাকেন।

এদিকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রশাসন শাখার পরিচালক(যুগ্ম সচিব) আ.ন আহম্মদ আলী বলেন-ছাত্রী নিবাসে কোন ধরনের বহিরাগত পুরুষ লোক পরিবার নিয়ে বসবাস করার কোন ক্ষমতা রাখেন না , সংবাটি দেওয়ার জন্য প্রতিবেদককে তিনি ধন্যবাদ জানান।

অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য কুমিল্লা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক) ইসহাক মিয়াকে নির্দেশ দেন পরিচালক।