মঙ্গলবার১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কেন বাংলাদেশের বিক্রয় র্কমী হতে চান মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিলার?

ছবি সংগৃহীত

বিশেষ সংবাদদাতা-বাংলাদেশের হয়ে একজন ভালো ‘সেলসম্যান হওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এ সময় তিনি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নতি ও অগ্রগতির প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিক সম্পর্ক বেশ ভালো। এখানকার তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে কাজের পরিবেশের উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য একজন সেলসম্যান হতে মন চায় আমার।
রবার্ট মিলার বলেন, বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর শ্রমিকদের নিরাপদ কাজের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, ইলেকট্রিক সিকিউরিটি নিশ্চিত হয়েছে। শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে গুরুত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়লে উভয় দেশ উপকৃত হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বড় তৈরি পোশাকের বাজার। বাংলাদেশে মার্কিন বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়াতে কমার্শিয়াল কাউন্সিলর নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
বৈঠকের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত টিকফা চুক্তি অর্থবহ করতে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় বাজার।
গত ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ছয় বিলিয়ন মার্কিন ডলার মুল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে, একই সময়ে বাংলাদেশ আমদানি করেছে প্রায় ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে এনার্জি, পাওয়ার, শিপিং, এলএনজি এবং এয়ারলাইন্স সেক্টরে প্রায় দুই বিলিয়নের বেশি মার্কিন বিনিয়োগ রয়েছে। এ বিনিয়োগের পরিমাণ বহুলাংশে বৃদ্ধির সুযোগ এসেছে। এতে করে উভয় দেশ লাভবান হবে।
এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্বে অতিরিক্ত সচিব(প্রশাসন) এস এম রেদওয়ান হোসেন, ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মুনীর চৌধুরী এবং রপ্তানি শাখার অতিরিক্ত সচিব শরিফা খান উপস্থিত ছিলেন।