সোমবার১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তান চীনে বেশি করে গাধা পাঠাবে

বিশেষ ধরনের ওষুধ প্রস্তুত করতে চীনে প্রতি বছর কমপক্ষে ৪০ লাখ গাধা প্রয়োজন হয়। কিন্তু বর্তমানে গাধার সংখ্যা ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে দেশটিতে। বর্তমানে চীনে ২০ লাখের কাছাকাছি গাধা পালন হয়। এমন সংকটের সময়ই গাধা রপ্তানি করে বেইজিংয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় করতে চাইছে ইসলামাবাদ।”

;রক্তের গুণ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ওষুধ তৈরিতে গাধার চামড়ার ব্যবহার অজানা নয়। চীনে তাই গাধার চামড়ার ব্যাপক চাহিদা। গাধা পালনে বিশ্বের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে চীন। কিন্তু সম্প্রতি ওই দেশে গাধা সংখ্যায় কমে গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯২ সাল থেকে চীনে গাধার উৎপাদন প্রায় ৭৬ শতাংশ কমেছে। এ কারণে গাধা আমদানিতে বেশি জোর দিতে বাধ্য হচ্ছে বেইজিংকে। “

;পাকিস্তানের আগে পশ্চিম আফ্রিকার দুই দেশ থেকেও গাধার চামড়া আমদানি করছিল চীন। কিন্তু, নাইজার ও বুরকিনা ফাসো চীনে রপ্তানি বন্ধ করে দিলে পাকিস্তানের দ্বারস্থ হয়েছে শি চিনপিং প্রশাসন।গাধা পালনে এগিয়ে পাকিস্তানগাধা পালনে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। দেশের অতিরিক্ত গাধা চীনে পাঠিয়েই বিদেশি মুদ্রা উপার্জন করার রাস্তায় হাঁটতে চাইছে ইমরান খানের প্রশাসন।”

;প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ওকারায় গাধা পালনের জন্য অত্যাধুনিক খামার (তৈরি করা হয়েছে।স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, এই খামার নির্মাণে বেইজিংয়ের থেকে প্রায় হাজার কোটি টাকা নিয়েছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের প্রাণিসম্পদ বিকাশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, রপ্তানির চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই খামার চালানো হবে।”

;প্রাথমিকভাবে ৮০ হাজার গাধা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রার কথাও জানানো হয়েছিল।এছাড়াও গাধার রপ্তানির চাহিদা মাথায় রেখে পরবর্তীতে লাহোরে গাধার জন্য একটি হাসপাতাল এবং আরও দুই জায়গায় আরও দুটি খামার নির্মাণ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে গাধার রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু বেইজিংয়ের চাপেই পরবর্তীতে তা প্রত্যাহার করা হয়।”

;এমনই দাবি বিভিন্ন মহলের একাংশের। ‘বন্ধু-রাষ্ট্র’ চীনের প্রয়োজনে পাশে থেকে চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর প্রকল্পে আরও মুনাফার রাস্তা খুঁজছে পাকিস্তান। এমনই মত প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র বিশেষজ্ঞরা।”